১.
Thursday, April 3, 2025
ও সীমান্ত
রূপকথার পরী
দৃশ্য বদল
প্রতিভা পাল
মেঘলা বিকেল-ব্যালকনি, বৃষ্টির কথকতা
আনত চাহনির ছিঁটেফোঁটা রোদ
গোধূলি ছোঁয় হঠাৎ যেন !
চৈতী হাওয়ায় চিরুনি তল্লাশি, প্রশ্ন সাজে
নিখোঁজ মনের খোঁজে,
বিষণ্ণ-সন্ধ্যা নামে রাতের সুরে
স্লেট রঙা আকাশের গায়ে।
সবুজ তখনও আবছা রঙিন, মেঘের কাজল চোখ
খামখেয়ালি ডানার ভিড়, ফেরার পিছুটানে
বজ্রকঠিন শব্দ ঘিরে নির্নিমেষ রাতের অবয়ব।
আঁধারের ঘোমটা ঢেকে সময় বৃদ্ধ হলে
চিলেকোঠায় জমে ঋতু ঋণ,
ঠিক যেমন এক-একটি তারিখের শেষে
যাপন আগলে রাখে স্মৃতির যাবতীয় !
আর্দ্রতা সমস্ত শুষে সকাল সূর্য-প্রখর আবার,
শূন্য ক্যানভাসে নতুন দিনের কানাঘুষো।
বৈশাখী-সুর শোনা যায় অদূরে কোথাও !
আদুরে বিকেল রঙে ক্লান্তি ওড়ায় ব্যস্ত শহর !
আমি ভালবাসা মাপি প্রতিটি দৃশ্য বদলে,
আমি মিলেমিশে যাই প্রকৃতির অন্তরালে…..
চ্যালেঞ্জিং নারী
বেলা দে
অন্তর্কথন
উৎপলেন্দু পাল
মনের পাসপোর্ট
মোঃ আব্দুল রহমান
অনুভূতির রঙ অচেনাই রয়েছে
স্পর্শের ঘ্রাণ এখনো তালাবন্দী
বিরহ আর আবেগে চির ভাটা পড়েছে
ভিসা নিয়েছিলাম আজীবন একসাথে রব
ভালোবাসায় গাঁথা হবে ফুলশয্যা
স্বপ্নেরা সাজাবে রঙিন গোলাপ
ইচ্ছেরা ডানা মেলবে যৌবনের সাগরে
সবটাই বৃথা --- মনের পাসপোর্ট মেলেনি
যদি একবার খোলা যেত হৃদয়
পাসওয়ার্ড দুটি মনের যদি একই হত
এ ফাগুনে আগুন জ্বলত না বুকে ---
দেহেও দাবানল নয় --- এ যেন নিষিদ্ধ পাসপোর্ট!
রঙের আগুন
সুখের খোঁজে
অর্পিতা মুখার্জী
আমার বাড়ির পেছনের এক প্রিয় কোণে
দীপাঞ্জন দত্ত
তিনটি কবিতা
পাপড়ি দাস সরকার
সময় চিত্র
দীর্ঘশ্বাস
মহঃ সানোয়ার
কথায় বলে না 'শান্তির ঘুম'!
সদ্য প্রাপ্ত কোনো শান্তি যখন মনকে আহ্লাদিত করে
ঈদের আহবান
নবী হোসেন নবীন
ঈদের এ নতুন চাঁদের আলো ঝলমল করে
পৌঁছে যাক সবার ঘরে ঘরে অন্তরে অন্তরে।
কোনো ঘর যেন ডুবে না যায় ক্ষুধার অন্ধকারে
কী হবে আমারে দাওয়াত করে?
কেউ যদি থেকে যায় অনাহারে।
তার চেয়ে সেই ভালো
যার ঘর হতে বাতাসে ভেসে আসেনি
পোলাও এর ঘ্রাণ
তারেই করো আহবান
তোমার রকমারি খাবারে।
তোমার মাংস পোলাও এর ঘ্রাণ
কারো চোখে যেন না বহায় বেদনার বান
এই হউক এবারের ঈদের আহবান।