হরিমাধবদার সান্নিধ্যে
দীপায়ন ভট্টাচার্য
হরিমাধবদার সান্নিধ্যে
দীপায়ন ভট্টাচার্য
মুজনাই
অনলাইন চৈত্র সংখ্যা ১৪৩১
সম্পাদকের কথা
কথায় বলে ``The show must go on` পত্রিকা প্রকাশও সেই show-এর অন্তর্গত। নইলে, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাক্ষেত্রের এই কালো দিনে পত্রিকা প্রকাশ করবার ইচ্ছে আদৌ ছিল না। কিন্তু মুজনাইয়ের অগণিত প্রিয় পাঠককূল এবং শ্রদ্ধেয় লেখক-কবিরা অপেক্ষায় রয়েছেন। তাই এই উদ্যোগ ইতিহাসের এক অন্যতম বিরল দিনে। এইভাবে এক লহমায় প্রায় ২৬,০০০ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যাওয়ার নিদর্শন এই বঙ্গে কোনও কালে ছিল না। কিন্তু মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আজ সেই দিনটিও দেখতে হল। এই ঘটনার জন্য কে দায়ি তা নিয়ে যথারীতি শুম্ভ-নিশুম্ভের বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। আমরা, সাধারণ মানুষরা, মনে করি, কেউই এর দায় এড়াতে পারেন না। তবে ভাল কিছু ঘটলে যেমন তার কৃতিত্ব যায় শাসককূলের দিকে, তেমনি খারাপ কিছু হলে তার দায় তাদের ওপরেই বর্তায়। নিঃসন্দেহে চাকরি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। এই বিষয়ে কোনও বিতর্ক নেই। অন্যায় কাজকে ঠিক করবার উপযুক্ত সময় ও সুযোগও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরেও কিছুই হয়নি। আর তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে যোগ্য প্রার্থীদের। চাকরি খোয়াতে হল তাদেরও। এখানেই সব চাইতে বেশি খারাপ লাগা। মর্মাহত হওয়া। কিন্তু তারপরেও রাজনীতির অলীক কুনাট্য দেখে ঘৃণা হচ্ছে। দেশের কাছেও যেমন রাজ্যের মুখ পুড়েছে, তেমনই আয়নায় নিজেদের দিকে তাকাতে লজ্জা লাগছে।
মুজনাই
অনলাইন চৈত্র সংখ্যা ১৪৩১
রেজিস্ট্রেশন নম্বর- S0008775 OF 2019-2020
হসপিটাল রোড
কোচবিহার
৭৩৬১০১
ইমেল- mujnaisahityopotrika@gmail.com
প্রকাশক- রীনা সাহা
সম্পাদনা, প্রচ্ছদ, অলংকরণ ও বিন্যাস- শৌভিক রায়
এই সংখ্যায় আছেন যাঁরা
বেলা দে, শ্যামলী সেনগুপ্ত, অনিতা নাগ, বুলবুল দে, পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়,
উদয় সাহা, দেবদত্তা বিশ্বাস, গৌতমেন্দু নন্দী, মনোমিতা চক্রবর্তী, প্রদীপ কুমার দে,
অন্বেষা মিত্র, শুভেন্দু নন্দী, আকাশলীনা ঢোল, শাশ্বত ভট্টাচার্য, তন্ময় ধর,
নাহিদ সরদার, বর্ণজিৎ বর্মণ, জয়তী ব্যানার্জী, শ্যামল বিশ্বাস লামশ্যা,
প্রতিভা পাল, মাথুর দাস, অভিজিৎ সেন, উৎপলেন্দু পাল, শ্রাবণী সেনগুপ্ত,
তুহিন কুমার চন্দ, সুপ্রভাত মেট্যা, মোঃ আব্দুল রহমান, প্রাণেশ পাল,
অর্পিতা মুখার্জী, দীপাঞ্জন দত্ত, সুনন্দ মন্ডল, পাঞ্চালী দে চক্রবর্তী,
চন্দ্রানী চৌধুরী, পাপড়ি দাস সরকার, মহঃ সানোয়ার, তপন মাইতি,
সৌরভ দত্ত, নবী হোসেন নবীন, মোঃ সৈয়দুল ইসলাম,
আশীষ কুমার বিশ্বাস, প্রানতোশ রায়, মহসিন আলম মুহিন
অনলাইন চৈত্র সংখ্যা ১৪৩১
স্মা র ক
উদয় সাহা
বেরুবাড়ী ও একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ
দেবদত্তা বিশ্বাস
ভ্রমে ভরানো ভ্রমণের কথা
বিপুল তরঙ্গ রে
অনিতা নাগ
ভূ-স্বর্গ---এখানেই
গৌতমেন্দু নন্দী
এখানে মাটিতেই নেমেছে স্বর্গ----
শিশুদের বিকাশের ক্ষেত্রে বাবা মায়ের ভূমিকা
ইচ্ছে
অন্বেষা মিত্র
সৃষ্টি – আচ্ছা মা!! জ্ঞান হবার পর থেকেই দেখছি তুমি খালি আমাদের পরিবার এর কথাই ভেবে চলেছো।। কার কোনটা তে ভালো হবে কে কি খেতে ভালোবাসে কার কোন জিনিস টা সবচেয়ে পছন্দের , আমার কি লাগবে দাদা র কবে কি আছে , দাদা র কবে কি লাগবে বাবা র কোন সময় কোন ওষুধ আছে সেই গুলোই দেখে চলেছ, কিন্তু মা আমি তো দেখিনা তোমাকে নিজের কথা কোনোদিন ভাবতে। পরিবার এর কেউ তো তোমার কথা কোনোদিন ও ভাবেনি তাহলে তুমি সবার কথা এতো ভাব কেন? সবার জন্য এতো কর কেন? বলতে পারবে !! যাইহোক সবার কথা নাহয় বাদ ই দিলাম নিজের ছেলে ও তো কোনোদিন তোমার মুখের দিক এ তাকায়নি , কোনোদিন ও তোমাকে মা বলে ডাকেনি , আর বাবা র কথা তো ছেড়েই দাও। সৃষ্টি র মুখে এসব কথা শুনে বিন্দু চমকে গিয়ে বলে
বিন্দু :- “ চুপ এসব কি কথা বলছিস মা এসব বলতে নেই। আমি না বাড়ির বড় বউ আমাকেই তো সব দেখতে হবে , আর ভুল করেও কারোর কাছে গিয়ে এসব বলিসনা মা নাহলে আবার একটা অশান্তি হবে , সৃষ্টি দেখে বিন্দু র চোখ এ জল কিন্তু সে যে ওর মা এর জন্য কিছু করবে সেই উপায় তার ছিল না কারণ সে নিজে কোনো রোজগার করত না।
এবার আসি বিন্দুর পরিবার তথা তাঁর শ্বশুরবাড়ির কথায়।
সেন পরিবার : লোক এর কাছে এই পরিবার বেশ সম্ভ্রান্ত পরিবার নামে খ্যাত ছিলো , এই বাড়ির কর্তা ছিলেন গুণধর সেন , তিনি মারা যাবার পর এখন কর্তী তার স্ত্রী কমলা সেন। তার দুই ছেলে , ছোটছেলে প্রেম করে বিয়ে করেছিল, তাঁর মা প্রেম জিনিস টা কে ভালো চোখ এ দেখতোনা কিন্তু যখন দেখলো আমার বৌমা বেশ বড়োলোক এর বাড়ির অনেক টাকা পয়সা আছে সেই দেখে তিনি ও ভিজে বিড়াল হয়ে গেলেন বরঞ্চ ছোট বৌমা কে সে আদর এ যত্নে মুড়ে রাখতেন। কিন্তু তাঁর বড়ছেলে ছিল অন্য রকম সে নিজের মত থাকতে পছন্দ করতো জীবন এর মোহো মায়া সব ত্যাগ করে ফেলেছিলো সে তাই বিয়ে তাও প্রায় জোর করেই দেয়া হয়েছিল,এবার আসি বিন্দু র কথায়, বিন্দু রা ছিল খুব গরিব , বিন্দু র মা কমলা দেবী দের বাড়িতে কাজ করতেন গুণধর সেন এর আমল থেকে। কমলা দেবী র ছেলে এরকম আপনভোলা বলে কেউ তাকে বিয়ে করতে রাজি ছিলো না। এদিক এ ছেলে র বয়স ও বেড়ে যাচ্ছিলো , ঠিক এমন সময় বিন্দু একদিন তাঁর বাড়িতে তাঁর মেয়ে কে নিয়ে এলো যাতে সে কমলা র হাতে হাতে সাহায্য করে দেয় র তাঁর বড়ো ছেলে কে ও দেখে রাখতে পারে, কমলা তখন ই বুদ্ধি করে তাকেই সেন পরিবার এর বড়ো বৌ করে আনলো। কিন্তু তাকে বাড়ির কেউ মেনে নেয়নি কারণ সে ছিল গরিব, এমনকি কমলা দেবী ও না। বিন্দু র ছেলেটা ও হয়েছিল ঠাম্মা র মতো মা কে কারুর সামনে পরিচয় দিতে লজ্জা পেতো সে, এমনকি তাকে মা বলে ডাকত ও না , বিন্দু র মেয়েটাই একমাত্র তাঁর মতো প্রতিবাদী হয়েছিল। কিন্তু , শুধু তার মা বারণ করত বলেই সে কাউকে কিছু বলতে পারত না ।
কিচ্ছুক্ষন পর ছোটবউ নিচে নেমে এসে বলে , `কিগো দিদি আমার গরম জল টা হলো গো স্নান এ যাবো তো তারপর আবার শপিং করতে যেতে হবে , ও হ্যা দিদি শোনো আজকে আমার র সমু র বাড়ি ফিরতে রাত হবে আমাদের জন্য খাবার রেখোনা`
বিন্দু :- বলি ও ছোট কদিন ধরে তো বাইরেই খাচ্ছিস , এবার তো শরীর খারাপ করবে !
প্রমীলা – সে কি গো! ভালোই বুলি ফুটেছে দেখছি তো দাড়াও আজ দেখাচ্ছি মজা।
প্রমীলা – “ ওগো কে কোথায় আছো শুনছো গো দেখো দিদি র কি চ্যাটাং চ্যাটাং কথা হয়েছে ,
বিন্দু - না না ছোট ওভাবে তোকে কিছু বলিনি রে আমি শুধু তোর ভালো র জন্যই...
কথাটা শেষ করতে পারলোনা বিন্দু ততক্ষন এ বাড়ির সবাই নিচে নেমে এলো, পরক্ষণে এই বিন্দু র ছেলে বলে ওঠে `তোমাকে এতো বাড়তি কথা বলতে কে বলে বলোতো সবার ভালো করে তুমি কোন মহাভারত শুদ্ধ করবে, যেমন আছো তেমন থাকো প্লিজ।'
কথক – তারপর আর কি সবাই বিন্দু কে উল্টোপাল্টা কথা শুনিয়ে উপরে চলে যায় , তখন ছোট এসে কানে কানে বলে যাই ,
প্রমীলা – আগে আমার মতো নিজে রোজগার করো তারপর আমাকে এরম টাকোস টাকোস কথা শুনিও ঠিক আছে তো ??
কথক - বিন্দু আর কি করবে সে ও কাঁদতে কাঁদতে চলে যায় রান্নাঘর এ । তার মেয়ে কিন্তু আড়ালে দাঁড়িয়ে সব কথা শুনেছিলো এবং সে ঠিক করেছিল যে সে আর তার মাকে সবার সামনে অপমানিত হতে দেবে না ,তার মায়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা গুন গুলো সে খুঁজে বার করবে.
ঠিক এমন ই একদিন ঘর খুঁজতে খুঁজতে খুঁজে পেলো তার মায়ের নাচের সার্টিফিকেট আর মেডেল। তারপর সে একদিন তার মা র কাছ থেকে সব কথা চালাকি করে জেনে নিলো , সে জানতে পারলো তার মা নাকি এতো ভালো নাচ করতো সবাই তাকে নাচ নিয়েই এগোতে বলেছিলো কিন্তু তার দারিদ্রতা তাকে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেয় নি। সৃষ্টি সেদিন ই ঠিক করে ফেলেছিলো মা এর জীবন এ আবার যেকরে হোক নাচ টা কে ফিরিয়ে আনবেই , আর সবার মুখ এর উপর যোগ্য জবাব সবাইকে এটাই বুঝিয়ে দেবে যে তাঁর মা অসহায় না,
পার্ট -২
কথক - অনেক জায়গায় খোঁজ করতে করতে হঠাৎ করে সৃষ্টি ভাগ্যবশত খোঁজ পায় একটা নাচ এর স্কুল এর, সৃষ্টি তার মা কে অনেক বুঝিয়ে বোঝায়, তাঁর মা না ভর্তি হবার জন্য জেদ করলে সে ও তাঁর মা র সাথেই ভর্তি হয় , ১বছর প্রায় বাড়ি থেকে নাচ এর স্কুল যেত মা আর মেয়ে মিলে কিন্তু , ভাগ্য কি সবসময় সাথ দেয়!! সেদিন ও তাদের সাথে তাদের ভাগ্য ছিলোনা , সেদিন বেরোতে গিয়ে ছোটবৌ এর সাথে ধাক্কা লেগে বিন্দু র ব্যাগ থেকে নাচ এর সব জিনিসপত্র পরে গেলো , ব্যাস আবার কি! সবাই সেদিন জেনে গেলো যে সে র তাঁর মেয়ে ২জন এই নাচ এর স্কুল এ ভর্তি হয়েছে , তারপর আর কি প্রত্যেক বার যা হয় এবার ও তার ব্যতিক্রম হয় নি, সবাই যাচ্ছেতাই ভাবে বিন্দু র সৃষ্টি কে অপমান করে তাকে ঘর দিয়ে তাড়িয়ে দিল, বিন্দু চোখ এর কোনায় জল নিয়ে তাঁর বর সাম্য র দিকে তাকালো দেখলো সে তাঁর নিজের খেয়াল এই ব্যস্ত, বাড়ির লোক জন তাকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলো সাথে তার মেয়ে কে ও। তারা অনেক কষ্ট করে একটা ঘর ভাড়া করে সেখানে থাকতে লাগলো । তারপর থেকে বিন্দু টিউশন করিয়ে মেয়ে কে মানুষ করে সাথে মেয়ে নিজে ও টিউশনি করাতো এভাবেই নিজেদের এই ছোট্ট সংসার তা কে তারা চালাতো তার সাথে তো নাচ ছিলই , ওদের স্বপ্ন ছিল একদিন না একদিন ওরা সফল হবেই আর সবাইকে দেখিয়ে দেবে যে উপায় র ইচ্ছে থাকলেই সবকিছু করা যায় , এভাবেই তাদের দিন চলতে থাকে , হঠাৎ একদিন তাঁদের নাচ এর স্কুল এ খবর এলো যে সেখানে একটা বড়ো ফাংশন হবে বাইরে দিয়ে অনেক লোক জন ও আসবে তাঁদের নাচ দেখতে, আর সেখানে জিততে পারলে 50,000 টাকা পুরস্কার দেবে, কিন্তু সেই ফাংশন টা ৩দিন পরেই, সৃষ্টি তো খুব খুশি কিন্তু বিন্দুর মুখে হাসি নেই কারণ তার শরীর বা মন কোনোটাই ভাল নেই, সে এখনো ভেবে চলেছিল তাঁর বর কি খাচ্ছে তাঁর ছেলে কি করছে, কিন্তু তার মেয়ে তাকে সাহস দিলো ভরসা দিলো বললো
সৃষ্টি – মা আমরা নিজেদের কে যোগ্য করে তুললে আমাদের বাড়িতে আমাদের সন্মান থাকবে নাহলে না তুমি তোমার জন্য লড়ো, তোমার সন্মান এর জন্য লড়ো, দেখিয়ে দাও সবাইকে যে আমি ও পারি। শেষ ই বিন্দু রাজি হলো এই প্রতিযোগিতায় নাম দেবার জন্য।
কথক - অবশেষে সেই দিনটা এলো , সেন পরিবার খুব সম্ভ্রান্ত পরিবারের অনেক নাম ডাক ও আছে তাই সেখানে সেন পরিবার এর ও নিমন্ত্রণ ছিল , কিন্তু তারা এসেছিলো শুধু মজা দেখতে, কারণ তারা জানত যে বিন্দু র সৃষ্টি এই প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছে , তারপর সবার নাচ শেষ হলে বিন্দু র সৃষ্টি র নাচ শেষ হলো এবং তারা এতো ভালো নাচলো যে সবাই থ হয়ে গেলো বিশেষ করে তাঁর পরিবার এর লোক । সব শেষ হয়ে যাবার পর তারাই জিতলো প্রতিযোগিতা টা র ৫০, ০০০ টাকা ও জিতলো। শেষ এ বড় বউ এর কাছে নিজের ভুল বুঝতে পেরে সবাই ক্ষমা চাইতে আসলো, তার মেয়ে র কাছে ও ক্ষমা চাইলো , তার ছেলে যে তার মা কে পরিচয় দিতে লজ্জা পেতো মা ডাকতে লজ্জা পেতো সে ও সেদিন তার বন্ধুদের নিয়ে এসে দেখাচ্ছিল এই দেখ এটা আমার মা আর বোন, তাঁর গোটা পরিবার তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবার আপ্রাণ চেষ্টা করলো কিন্তু তারা আর সেই বাড়িতে ফিরে গেলোনা বিন্দু সবাইকে বিদায় জানিয়ে বললো সে র তাঁর মেয়ে সেন পরিবার এ র থাকবেনা, তারা অন্যজায়গায় চলে চলে যাবে।
যাবার আগে একটা কথা বলে গেলো যে কথাটা শুনে কারুর আর তাদের আটকানো র ক্ষমতা হলো না , সে বললো আমার যখন তোমাদের দরকার ছিল তোমরা আমার পাশে ছিলে না এমনকি আমার বর আমার ছেলে কেউ ছিলোনা ছিল শুধু আমার মেয়ে, আমার মেয়ে আজকে আমাকে বুঝিয়েছে শিরদাঁড়া ভেঙে গেলে ও দাঁড়ানো যাই , আর আমি দাঁড়িয়েছি , এখন থেকে আমার মেয়েই আমার সব , আমার মেয়েই আমার পরিবার। ।
দুটি সুর
শুভেন্দু নন্দী