বনের রাজকন্যে কোডাই
রণিতা দত্ত
উটি থেকে রওনা দিলাম। গন্তব্য কোডাইকানাল।বেশ তাড়া খেতেখেতে ই ব্রেকফাস্ট সেরেছি।পোনে আটটা মত বাজে ঘড়িতে। ড্রাইভারের কথায় ঘন্টা ছয় সাত ঘন্টা লেগে যাবে পৌঁছতে । জি পি এস ও তেমনটাই দেখাচ্ছে। আমার কত্তামশাইয়ের বয়স যত এগোচ্ছে, যাত্রার সময় কুলনেস তত কমে যাচ্ছে। আরে বাবা, ক্ষতি কি! চারিদিক অপার সৌন্দর্য্য প্রকৃতি অকৃপণ হাতে ঢেলে রেখেছে। তুমি শুধু চোখ খুলে বুঁদ হয়ে উপভোগ করে যাও। নীলগিরি থেকে নেমে আসছি ক্রমশ। মেট্টুপালায়াম এল। খানিক সমতল ভূমি।
চারিদিক আম গাছের আধিক্য। সীতার খোঁজে গিয়ে হনুমান হয়তো লঙ্কা থেকে আমের আঁটি ছুঁড়ে এ দেশে দক্ষিনী আমের প্রচলন করে থাকবেন। সমতল আর নেই শুধু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত পাহাড় মাঝে মাঝে।ঘন সবুজ চা বাগিচায় মোড়া সেগুলো ।ভিন্দিগুল হয়ে পালানি হিলস বেয়ে উঠছি। পালানি পাহাড়, পর্বত নয়। তবে কত যে পুরোনো হয়তো ভারতীয় পাহাড় পর্বতের মধ্যে বয়জ্যেষ্ঠ। নিজের বিষয় জন্য জানি প্রিক্যামব্রিয়ান ভৌগোলিক যুগে গন্ডোয়ানা ভূ ভাগ যখন নড়াচড়া করছিলো তখন পালানি, নীলগিরি, আন্নামালাই এদের জম্ম। পার্বত্য বণ্যতা এখানে যেন অঘ্রাতপূর্ব কুমারী শরীরের মত। বিচিত্র গাছগাছালি চারিদিক। গাছে বেয়ে তরতর করে উঠে যাচ্ছে স্থানীয় কোন এক লোক। কেটে আনছে মৌচাক। ভন ভন করছে বাস্তুচ্যুত মৌমাছি। লোকটির গায়ে লেগে আছে চটচটে আঠালো মধু। আর তাতে আটকে আছে অজস্র মৌমাছি। অদ্ভুত কায়দায় কাটারি দিয়ে চেঁছে ফেলছে সেসব। বালতিতে মৌচাক নিয়ে স্কুটি চালিয়ে চলছে। এসব দেখছি পথ চলতি গাড়িতে বসে। অনেক জঙ্গল পাহাড় ঘুরেছি। সুন্দরবন ও গেছি। এই ক্রুড বিউটি যেন প্রথম এখানে এসে দেখলাম। আদিম বন্যতা দেখে বয়স যেন আমার ফুসমন্তর করে কমে গেল। কিশোরীর মত বায়না ধরলাম, "অনেক হয়েছে জলপ্রপাত, ঝর্না,পাইনের বন দেখা । এবারে অন্য ভাবে আবিষ্কার করি না কেন বনের রাজকন্যে সুন্দরী কোডাইকে।" রফা হলো যেহেতু বর্ষা দক্ষিণে এসে গেছে, দু একটি ফলস ঘুরে নেওয়া যাবে নাহয় কিন্তু কমন সাইটিং করবোনা ।ড্রাইভার মুরগান আমার কথায় সায় দিল। এরমধ্যে এসে পড়েছি "স্টার্লিং কোডাইলেক " রিসোর্টে।
আগামী তিনদিন চার রাতের জন্য এটাই আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই। পৌঁছে গেছি বেলা থাকতেই। দিনের আলো ফুরোতে সময় তখন ও বাকি। সকালের গনগনে সূর্যটা তেজ ফুরিয়ে এখন পাকা টমেটোর মত যেন ঝুলে রয়েছে সবুজ পাহাড়ের গায়ে। আলো থাকতেই তাই হেঁটে প্রপার্টিটা ঘুরে দেখে নিলাম। প্রাণ জুড়িয়ে গেল আর্কিড দেখে। গাছে ঝুলছে নাম না জানা রঙ বেরঙের আর্কিড। ভারি বিচিত্র শোভা তাদের। নিজের বলতে কোন ডালপালা নেই, পত্রপল্লব নেই , আছে অপূর্ব গড়ন বিন্যাস, মনোহরণ রঙ। যদিও পরগাছা, তবু রূপে অনন্যা। রাতের স্বাদু খাওয়ার আর নরম পরিচ্ছন্ন বিছানা ঘুমের রাজ্যে তলিয়ে গেলাম ।
খুব ভোরে ঘুম ভাঙলো। হাঁটতে বেরোলাম। মর্নিং ওয়াক। "কোকার্স ওয়াক"বেয়ে এক কিলোমিটার পাহাড়ি পথে পথ চলা। ল্যেফটেনেন্ট কোকার্স এই রাস্তাটা বানালেন তখন ১৮৭২. এখানে দাঁড়িয়ে সবুজ উপত্যকা, মেঘে ঢাকা পাহাড় পেরিভাকুলাম সমভূমির প্যানোরামিক ভিউ দেখে দিনের শুরু করা গেল। এবারে ফিরলাম রিসোর্টে। ফিরে স্নান ব্রেকফাস্ট সারতে একটু বেলা হয়ে গেল। এরপর গাড়ি নিয়ে সাইট সিন্ এর উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কোডাইকানালের সেরা ভিউপয়েন্ট হিসেবে পরিচিত, মইর পয়েন্টে এসে দাঁড়ালাম । পশ্চিম ঘাটের অপূর্ব সবুজ পাহাড় এই পাকদন্ডিতে দাঁড়ালে দেখায়ায়। এরপর পাইনের বনকে পাশে রেখে এগিয়ে গেলাম। ভরা বর্ষা এক দুটো জলপ্রপাত না দেখলেই নয়। এবারে কোডাইকানালের জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে অন্যতম সিলভার ক্যাসকেড জলপ্রপাতের ধারে এসে পৌঁছে গেছি ।এখানে ১৮০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে একটি ক্যাসকেডের মধ্য দিয়ে জল লাফিয়ে লাফিয়ে আঁচড়ে পড়ছে। অনেক উঁচু থেকে লম্ফ দিতে দিতে পড়ে বলে জলরাশি সত্যিই রূপালী রঙের দেখায়। জলপ্রপাত থেকে ছিটকে আসা স্ফটিকের মত জল সন্মোহিত করে দেয় । শহরের মোটামুটি কাছাকাছি বলে এই দুটো পয়েন্ট দেখে নিয়ে কোডাইকানাল ট্যুর শুরু হলো। বিকেলে লেকের ধারে ঘোরাঘুরি করে সময় কাটিয়ে ফিরে এলাম রিসোর্টে। বেড়াতে গেলে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যাই পরবর্তী দিনকে আগে থাকতে শুরু করতে।
পরদিন ব্রেকফাস্ট সেরে বেরোলাম শহর ছেড়ে গ্রামে। খুব একটা দূরত্ব নয়, মাত্র ১৮ কিলোমিটার মত। পুম্বরই গ্রাম। রসুন উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এই গ্রাম । পাহাড়ের গায়ে খেতগুলো দেখলাম ধাপ কেটে কেটে। উপত্যকা জুড়ে জ্যামিতির বৃত্তচাপের মত কেউ যেন কোম্পাস দিয়ে একের পর এক কেউ টেনে রেখেছে। স্থানীয়ভাবে 'মালাই পুন্ডু' নাম এই রসুনের। পাহাড়ের রসুনের কোয়া অনেক বড় বড় । স্থানীয় বয়স্করা বসে খোঁসা ছাড়াচ্ছে। রসুনের গন্ধ উগ্র, ধক ও বেশি। অসাধারণ ঔষধি গুণ একথা শুনলাম । ব্যাঙ্গালোর থেকে উটি হয়ে কোডাই। প্রায় সাত আট দিন ড্রাইভার মুরগান আমাদের এই ট্রিপে আমাদের একজন হয়ে আছে। পুম্বরইয়ে বেশ পরিচিত মুরগান। যেহেতু এই জায়গাটি তেমন পরিচিত নয়,তাই ভীড় ও নেই।
মুরগন একটি বাড়িতে আমাদের দুপুরে খাওয়ারের ব্যবস্থা করে রেখেছিল। বাড়ির তৈরী রসম মশলায় রান্না।চেটেপুটে খেয়ে নিলাম। বাদাম নারকেল রসুনের একটা চাটনি খেলাম। ভাষার দুর্বদ্ধতার কারণে রেসিপি নিই নি। টুরিস্টদের হুড়োহুড়ি ভীড় ছাড়াই ঘুরে ফিরে কেটে গেল দিনটা । ফেরার পথে গেলাম নাইডু পুরমে। এক কুটির শিল্প কারখানা দেখতে। গাছের পাতা ছাল বাকল থেকে স্টিম ডিস্টিলেশন বা বাষ্প পাতন প্রক্রিয়ায় তৈরী হয় ভেষজ তেল।১০০%খাঁটি এ তেল সর্দি সাইন্যাস এর অভ্যর্থ ওষুধ। ইউক্যালিপটাস তেল ছাড়াও আরও ভেষজ তেল তৈরীর কারখানা আছে আশেপাশে ।তৈরী তেল ঘরের মেয়েরা প্যাকেটিং করে লেবেল লাগাচ্ছে। কিনলাম তেল কিছু। আবার ভেষজ নির্যাস নিয়ে নেওয়ার পর ছালবাকল দিয়ে তৈরী হচ্ছে গা ঘষার ছোঁবা। এসব জিনিস যতইচ্ছে কিনলে প্রতিপক্ষ কোন আপত্তি করেননা শুধু শাড়ি কাপড়ে যত আপত্তি। যাগ্গে।মনের সুখে কিনলাম।
শুধু নিজের জন্য নয় যার যার কথা মনে এল সব্বার জন্য। বেশ কাটলো দিনটা। এক্কেবারে অন্যরকম।কোডাই লেকের ধারে ওই একই ধরণের স্যুভিনির শপ। ওখান থেকে গিফ্ট না নিয়ে ঔষধি তেলে তেলা মাথা গুলোয় দিলে ওদের খুশি হওয়া খুব স্বাভাবিক। যখন ফিরলাম তখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নেমেছে। গাড়ি দাঁড়িয়েছে রিসোর্টের গেটের সামনে। কানে এল প্রার্থনা সঙ্গীত "খণ্ডন ভব বন্দন "!একি উটিতে রামকৃষ্ণ মার্গে ছিল স্টার্লিং উটি। ছোট্ট একটি মঠে নিষ্টাব্রত এক গৈরিক সন্ন্যাসীর দেখা মিলেছিল। এখানেও সেই প্রার্থনা শুনে গাড়ি থেকে দু পা হেঁটে দেখি মঠ নয়, মিশন নয় একটি ঘরে জনা দশ মানুষ গাইছেন, আরতি হচ্ছে যুগঅবতারের। বসলাম সেই সময়টুকু। এটাও প্রাপ্তি। ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ক্লান্ত শরীর বিছানায় এলিয়ে দিতে দিতে ভাবি তামিল অধ্যুসিত ব্রিটিশ কালচারে পুষ্ট শৈলশহর যা ক্রান্তীয় জলবায়ু থেকে ইউরোপিয়ানদের স্বস্তি দিতে তৈরী সেখানেও ওই পাগলা ঠাকুরের ভক্তের অভাব হয়নি।
সকালে উঠে এদিক সেদিক খানিকটা হেঁটে বেড়িয়েছি। ভীষণ এক্সাইটেড প্রাগ ঐতিহাসিক গুহা দেখতে যাব । আমি আর মুরগান উদ্যোগ নিয়েছি পিলার রকস হয়ে গুনা গুহার দিকে যাবো । শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার মত।ব্রেকফাস্ট সেরে বেরিয়ে পড়লাম কুক্কল গুহা দেখতে। শুনে নিয়েছি দুই ভাবে কুক্কল গুহা যাওয়া যেতে পারে। প্রথমত, ট্রেক করে। বছর সাতেক আগে হলে হয়তো চেষ্টা করে দেখা যেতে পারতো। এখন নিজের হাঁটু জোড়া প্রতিস্থাপিত। দুঃসাহস দেখিয়ে বেকুব হতে চাইনা। তবে অ্যাডভেঞ্চারে প্রতিবন্ধকতা নেই। গাড়ি নিয়ে চলে যাওয়া যায় পিলার রকস পার হয়ে আরও বেশ খানিকটা। পথে দেখলাম তিনটে বিচ্ছিন্ন স্তম্ভের মত খাঁড়া খাঁড়া পাহাড়। ওটাই পিলার রকস। তারপর আরও বেশ খানিকটা যেতে যেতেই জঙ্গল গভীর হতে থাকলো। পাহাড়ের রঙও কেমন খয়েরি থেকে কালচে হতে থাকলো। মুরগান বলছিলো বটে কিছু কিছু গুহা দেখা যাচ্ছে । তবে আমাদের নজর পৌঁছাচ্ছিলো না। বুঝলাম প্রাচীনতম গুলোর দেখা মিলতে আরও অনেকটা যেতে হবে । যেখানে গাড়ি থেকে নামলাম সেখান থেকে মিনিট পনেরো হাঁটলে পৌঁছে যাওয়া যাবে "শয়তানের রান্নাঘরে "। যেমন বীভৎস নাম, তেমন ভয়ানক তার ছিরি। দেখলে গা শিউরে ওঠে। বহু পুরোনো গাছের শেকড়ে বাকরে জর্জরিত জায়গাটা। যেন সত্যি কোন শয়তান একাব্যাঁকা উনুনে রান্না বসিয়েছে। সেই রান্নাঘর পেরিয়ে এসে পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা গুহা। স্থানীয়দের কাছে এগুলো 'গুনা গুহা'। 'গুনা' নামে একটি তামিল সিনেমার শুটিং এই গুহার কাছে হয়েছিল। তারপর থেকে গুহাগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রস্তর আকীর্ণ করে তৈরী প্রাগৈতিহাসিক গুহা। যেন সময়ের আর্কাইভ। মনে হলো এমনি গুহায় লুকিয়ে থাকে জ্ঞান, কিংবদন্তি, রহস্য আর বিশ্বাস। অতীতকে সংরক্ষণ বর্তমানকে শেখায় বিস্ময়ে থমকে দাঁড়াতে। ঘন পাইনের বনে ভর দুপুরে ও সূর্যালোক তেমন এসে পৌছায় না। প্রায় অন্ধকারে ঘেরা। পালানি পাহাড়ের চূড়ার প্রায় কাছে চলে এসেছি। ঘন হয়েছে জঙ্গল। পাহাড়ের গায়ে এবড়োখেবড়ো কুক্কল গুহায় রহস্যময়তা ঘিরে রয়েছে টানটান আকর্ষণ। লোহার জালে ঘেরা ওই গুহার ভেতরে যেন অতীত কথা বলে। পিন পতনের নিস্তব্ধতা অথচ মনে হয় এখুনি কাঁপতে থাকা কোনও এক অচেনা কণ্ঠস্বর কান পাতলে শোনা যাবে । হাজার হাজার বছর আগে আদিবাসিন্দা পালিয়ান উপজাতির লোকেরা খোদাই করেছিল বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন । বিভিন্ন ধরণের রূপান্তরিত পাথরের তৈরি প্রস্তরযুগের গুহা এগুলো। অজন্তা ইলোরার গুহা দেখেছি, শিলংয়ে চুনাপাথরের গুহাও দেখেছি চেরাপুঞ্জি যেতে । তবে এই প্রস্তর যুগের গুহাগুলো না দেখলে কি যে মিস করতাম নিজেরাই জানতাম না ! আমার জিওলজিস্ট এক বন্ধু পরে শুনে বলেছিল পৃথিবী তৈরীর আদিতে ম্যাগমা জমে তৈরী হয় আগ্নেয়শিলা গ্রানাইট শিলা।তারপর প্রিক্যামব্রিয়াম যুগে এসে তাপ ও চাপে গ্রানাইট শিলা গ্রানুলাইট ও চারকোনাইটে রূপান্তরিত হয়। এই কঠিনতম শিলা কেবল মাত্র ভারতের এই প্রাচীন ভূখন্ডেই ভুপৃষ্ঠের আবরণ হয়ে থাকতে চোখে পড়ে । সত্যি চোখের দেখা না দেখলে আপসোস করতে হতো রীতিমতো। আর্কিওলোজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে লোহার জালে ঘেরা হয়েছে কয়েকটি গুহা। যুগ যেন থমকে আছে, অতীত যেন স্তব্ধ হয়ে ধাবমান পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে অবাক দৃষ্টি নিয়ে। তচ্ছিল্যের হাসি হাসছে বলছে একদিন তুমি ও অতীত হবে এগিয়ে আসবে নতুন সময়। যাকে মোটামুটি মেহেনত করে রাজি করিয়ে শয়তানের রান্নাঘর দেখাতে এনেছিলাম উনি যেন আমার থেকে ও বেশি খুশি। আবার সেকথা মুখে প্রকাশ করলে আরও যদি আবদার বেড়ে যায় তাই মুখে উত্তেজনার অভিব্যক্তি নেই মোটে ।তবে এতটা ইউনিক হবে আজকের ঘোরাটা সে আমরা দুজনের কেউ ভাবতে পারিনি।
পরে যখন এই লেখা লিখছি কোডাই লেকের ব্যাপারে কিছু বিষয় জেনে মন বিষণ্ণ হয়ে গেল। ভাবি প্রকৃতির এই অপূর্ব সৃষ্টিকে দূষিত করার অধিকার মানুষ কোথা থেকে পেল? এই কোডাই লেকের জল নাকি 'mercury emissions' দ্বারা দূষিত। পাশের হিন্দুস্থান লিভারের থার্মোমিটার ফ্যাক্টরির অনিয়ন্ত্রিতবর্জ্য কোডাইকানাল এলাকাকে দূষিত করেছে। এই পারদ দূষণ সমস্ত প্রাণী কূল এমনকি মানুষের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে । সময়মত দূষণ প্রতিরোধ না করলে প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষও বিপন্ন হবে। তবে মানুষের লোভ যেমন দূষণ তৈরি করেছে তেমনি কিছু আশাবাদী মানুষই আবার দূষণ প্রতিরোধে তৎপর হয়েছেন । সেই আশাবাদী মানুষের দলে নাম লিখিয়ে সবুজ, নির্মল, দূষণ মুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি। স্বপ্নই বাঁচিয়ে রাখে।

No comments:
Post a Comment