Tuesday, March 3, 2026


 

খুঁজতে খুঁজতে

 অনুষ্টুপ রায়



লোকটাকে মাঝে মাঝেই দেখি। মাঝে মাঝে বলতে গ্রামে বন্ধুর বাড়িতে এলে। সরাসরি কথা হয়নি কখনো। বন্ধুর সাথে ওনার আলাপ তাদের দুজনের মাঠেঘাটে ঘোরার সময়। শুনেছি তিনি দক্ষ চিত্রকর।

  শংসাপত্র বোধহয় নেই। পড়ার খরছ জোগাতে না পারায় আর্ট কলেজ ত্যাগ। এখন ঘুরে ঘুরে আঁকা শেখান। মেলাতেও বসেছেন নানান হাতে তৈরি ঘর সাজানোর জিনিস নিয়ে। তবে কোনোটাতেই খুব একটা জুত হয়নি।

    শেষমেশ সংসার চালাতে মোমোর দোকান দিয়েছেন। তবে আঁকা থামেনি। দেওয়াল লিখন থেকে পুজো উপলক্ষে প্যান্ডেল সজ্জা সবই করে চলেছেন। স্থায়িত্বের অভাবটা বড় হয়ে উঠেছে বহু সময়ে।

      এই অবধি পড়ে পাঠকের মনে হতে পারে: এটা গল্পনাকি কোনো মানুষের বাস্তব চিত্র আশ্রিত গদ্যলেখক হিসেবে উত্তর- এই দুইয়ের মাঝামাঝি। ধরা যাকএই গল্পের লোকটা অনেক খেটে খাওয়া মানুষের প্রতীক।

 

  তা এই লেখার বিষয়টা ঠিক কিশিল্পের সাথে রুজি লড়াইনানা কোনো বাইনারি বাঁধতে চাইনা। স্বল্প পরিসরেঘটনা প্রবাহের বিস্তারিত বিবরণ। যা আমি চাক্ষুষ করেছি। তা বাকিদের সাথে ভাগ করে নেওয়া। 

  

২ 

 এক সময়, লেখক আর চিত্রকরের আলাপ। ঠিক হলো, নিজেদের অভিজ্ঞতা কে লেখা ও আঁকার মধ্যে ফুটিয়ে তুলবে তারা। যার মাধ্যমে আলাপ, তার কী ভূমিকা? সে কবি। ছড়া বাঁধেবই পড়ায়, পেট চালাতে ছাত্র পড়ায়।

      তা তাদের উদ্যোগ কেমন এগোচ্ছেমন্দ নয়। তবেতার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় আছেআরে নানা! তা নালোকে ছবি দেখে পাড়ার দেওয়ালেসাথে খানিক গদ্য বা পদ্য সময় পেলে পড়ে।

      খরছ আর আয়ের কোনো সামঞ্জস্য নেই। চিত্রকর আঁকার সময় বা লেখক/কবি রচনার সময় পাশে গামছা রাখা থাকে। তবে তা দিয়ে রং কেনার খরচও ভালভাবে ওঠেনা! তবে তারা চেষ্টা করবে না থামার।

No comments:

Post a Comment