Tuesday, March 3, 2026


 

হাসিকথা
সোমনাথ মুখার্জী 

সুন্দর হাসির মর্যাদাটাই আলাদা।হাসছিল তনিমা।হাসিতে মিশে আছে অন্তরের সাবলীল অমলিন সৌন্দর্য্য। অথচ, হাসির তোড়ে আক্রান্ত তরুণ দাস মর্ম বোঝার চেষ্টায় ক্লান্ত। তবু সে দুঃসাধ্য সাধনার পথে। কতদিন,কত রকমের, কত ধরণের হাসির ছটায় সংসার ভরিয়ে রেখেছে তনিমা। মনের খাতায় লিখে নিয়েছে তরুণ সেই সব হাসির টুকরো আবেগ। রবিবারের আলোর সকাল। সেই আলোকিত আলোয় আর হাসির নির্মল প্রকাশে তরুণ বিবশ। বেহালার শীলপাড়া থেকে বাজার এনেছে মনের মতন। লকডাউনের ঘেরাটোপ মাকড়সার জালের মত ফাঁদে ফেলেছিল জীবনকে। সবে তার থেকে নিষ্কৃতি মিলেছে।আসলে, জীবনের প্রশ্নপত্র উত্তর প্রত্যাশী।তরুণ তখন হাঁপিয়ে উঠৈছিল। তখন‌ও, আশ্চর্য রকমের শান্ত আর শিষ্ট দেখেছে তণিমাকে। সঙ্গে ছিল হাসির লহরী। সে মজে ছিল অনায়াসে নিজেতেই।
হাসছিল তনিমা। তরুণ তাকাল।ভাবনার চোখে। বিয়ের পর পর ঘরোয়া আড্ডায় অন্যের চোখে মুখে মুগ্ধতার আবেশ লক্ষ্য করেছে। কিন্তুু, হাসির মূল্যায়ন যে অনেক কঠিন। একদিন ঘন অবস্থায় তনিমা বলেছিল, অনেকে হাসিকে ব্যবহার করে জীবন সংগ্ৰামে জয়ী হতে চায়। তেমন ধরণের হাসি ও হাসে না।
চা বানিয়ে কাপ হাতে ধরিয়ে তনিমা বলল, এত ভেবো না স্বামী মশাই। চা খাও। জানো কষ্টের জীবনে হাসিটাই ভ্যাকসিন। তুমি বড্ড ছেলেমানুষ।


No comments:

Post a Comment